মক্কা-মদিনায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ: হামলার অভিযোগ অস্বীকার হুথিদের
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২৫-১০-২০২৬ ১০:৫৯:১৭ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় :
২৫-১০-২০২৬ ১০:৫৯:১৭ পূর্বাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
সৌদি আরবে আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। আকাশে থাকা অবস্থাতেই এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি আরব। শনিবার (২৪ অক্টোবর) এই হামলার পর মক্কা ও মদিনাসহ দেশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি সিভিল ডিফেন্স বা বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ। তবে পবিত্র এই দুই নগরীতে হামলার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে হুথি বিদ্রোহীরা।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি সিভিল ডিফেন্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হুথি মিলিশিয়াদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর এর ধ্বংসাবশেষ মক্কা আল-মুকাররমা এবং মদিনা আল-মুনাওয়ারা অঞ্চলের কয়েকটি স্থানে পড়েছে। এর মধ্যে মক্কার বাইরের ওয়াদি মুগামাস, জেদ্দার আল-নুজহা এলাকা, তায়েফের ওয়াদি জলিল এবং রাবিঘের একটি জনবসতিহীন স্থান রয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শনিবার পশ্চিমাঞ্চলের চার প্রদেশে ‘সম্ভাব্য বিপদের’ সতর্কতা জারি করে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় সৌদি কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, পবিত্র মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে হুথিরা। গোষ্ঠীর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে বলেন, "পবিত্র এলাকা মক্কা ও মদিনায় আমাদের বাহিনী হামলা চালিয়েছে বলে সৌদি শত্রুরা যে প্রচার করছে, তা সম্পূর্ণ ও জঘন্য মিথ্যাচার।"
তবে এর কয়েক ঘণ্টা আগেই হুথিরা দাবি করেছিল, শুক্রবার ও শনিবার তারা সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দাম্মাম ও নাজরান বিমানবন্দর, খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটি এবং বেশ কয়েকটি তেল স্থাপনা ও পাইপলাইনে সফল হামলা চালিয়েছে।
একই সময়ে ইয়েমেনের অভ্যন্তরেও উত্তেজনা বেড়েছে। ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকার জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী এডেনে উপকূলরক্ষী বাহিনীর স্থাপনা লক্ষ্য করে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে হুথিরা। সাম্প্রতিক এই পাল্টাপাল্টি হামলা ও ক্রমাগত উত্তেজনার ফলে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে, যা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তাকে নতুন করে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স